তীব্র লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশিত: ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪

লোডশেডিঙ্গে অতিষ্ট জনজীবন, সারাদেশে লোডশেডিং এর মাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। একদিকে তীব্র দাবাদ্রহ ও সূর্যের প্রখর তীব্রতায় নাখাল খেটে খাওয়া সাধারণ দিনমজুর রিক্সাচালক এবং মাঠ ঘাটে কাজ করা শ্রমিক, অচল মিল ফ্যাক্টরি।

লোডশেডিং এর এই মাত্রা দিন এবং রাত কোন সময়ই থামছে না প্রতি এক ঘন্টা দুই ঘন্টা পর পর লোডশেডিং হচ্ছে, এই লোডশেডিং এর তীব্রতা শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে মারাত্মক পর্যায় ধারণ করেছে, কখনো কখনো গ্রাম-গঞ্জে সারাদিনই বিদ্যুৎ থাকে না।

বিদ্যুতের এই আসা যাওয়া সাধারণ মানুষের মনে ক্ষুভের সঞ্চার হয়েছে। একদিকে জুলাই আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ বিলে দুই থেকে তিন গুণ বাড়তি বিদ্যুৎ বিল অন্যদিকে লোডশেডিং এ যেন মরার উপর খড়ার গা।

অনেকেই অভিযোগ করছেন রাতে ঘুমাতে গেলেই বিদ্যুৎ নাই। আবার পেশাদারিত্বের কাজে যারা আছেন তারা বলছেন মেশিনটা স্টার্ট দিলেই বিদ্যুৎ নাই বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা।

এই বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের একটিই উত্তর উৎপাদন কম তাই সরবরাহে ঘাটতি আর তাছাড়া আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করি না, আমরা “মাধ্যম” মাত্র আমরা সরবরাহ করি যত টুকু পাই তা থেকে।

লোডশেডিং বেশি হচ্ছে দেশের অধিকাংশ গ্রামাঞ্চলে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) তথ্য বলছে, গতকাল দিনের বেলায় তিনটার দিকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৯২ মেগাওয়াট লোডশেডিং করেছে তারা। গড়ে ২৫ শতাংশ সরবরাহ কম পেয়েছে আরইবি।

আরইবি ঢাকা শহরের বাইরে ঢাকা জেলার সব গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। গতকাল ৩৩ শতাংশ সরবরাহ ঘাটতি ছিল। কুমিল্লা এলাকায় সরবরাহ ঘাটতি ছিল ৩৪ শতাংশ। ময়মনসিংহ অঞ্চলে এটি ছিল ৩৩ শতাংশ। এর বাইরে রাজশাহী ২৭ শতাংশ, রংপুর ও সিলেটে ১৯ শতাংশ করে, চট্টগ্রামে ৬ শতাংশ ও বরিশালে ১ শতাংশ বিদ্যুৎ–ঘাটতি ছিল।