উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত

প্রকাশিত: ১০:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০২৪

বাংলাদেশে সনাতনি ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আগমনের বার্তা শুরু হয়। দেবী দুর্গার আগমনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শরৎকালে পূজা শুরু হয়। এবছর ৯ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে পঞ্জিকা মতে ভোরবেলা থেকে ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন সহ সর্বস্তরের পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে বাংলাদেশের শারদীয় দুর্গাপূজা যাতে নির্বিঘ্নে হয়, সেজন্য বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, বিজিবি,  র‌্যাব, পুলিশ, ব্যাটালিয়ান, আনসার, গ্রাম পুলিশ নিযুক্ত করেছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন সহ ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব প্রদান করেছে।

শারদীয় দুর্গাপূজায় সনাতনীরা বিশ্বাস করেন প্রতিবছর দুর্গা মা তাদের পৃথিবীর যত অকল্যাণ আছে তা বিনাশ করার জন্য তার আবির্ভাব হয়। তাই তারা পূজা মন্ডপে মন্ডপে গিয়ে প্রণাম  ভক্তি করে প্রসাদ বিতরণ করে।
দেবী দুর্গা যেমন অসুর শক্তি তথা পশু শক্তির সাথে আপোষ না করে যুদ্ধ করে অসুর শক্তিকে পরাজিত করে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিল। তেমনি ভাবে সনাতন ধর্ম পালনকারী সকলের দায়িত্ব  হচ্ছে দেবী দুর্গাকে অনুসরণ করা ও অসুর শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে অসুর শক্তিকে পরাজিত তথা ধ্বংস করে মানব সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

দেবী দুর্গার মূল দর্শন হলো দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন। হিন্দু ধর্মের উপাক্ষান মোতাবেক পৃথিবীতে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য এ পৃথিবীতে দেবী দুর্গার আগমন ঘটেছিল। দুর্গতি নাশ থেকে দুর্গা শব্দের উৎপত্তি।

সাপ্তাহিক ছুটি ,সরকারি ছুটির পাশাপাশি একদিনের বর্ধিত ছুটি পেয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের মধ্যে আনন্দের মাত্রা বেড়ে গেছে কয়েক গুন।